কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬ এ ০৩:৩০ PM

ইতিহাস ও কার্যাবলি

কন্টেন্ট: পাতা

বিসিআইসি ইতিহাস ও কার্যাবলি

কন্টেন্ট: পাতা

ইতিহাসঃ

১৯৭২সনের রাষ্ট্রপতি ২৭ নম্বর অধ্যাদেশের১৯৭৬ সনের ২৫ নম্বর সংশোধনী বলে ৩টি কর্পেোরেশনযথা- বাংলাদেশ সার, রসায়ন ওভেষজ শিল্প কর্পোরেশন, বাংলাদেশ কাগজ বোর্ডকর্পোরেশন, বাংলাদেশ ট্যানারীজ কর্পোরেশন একীভূত করে ১লা জুলাই, ১৯৭৬ইং তারিখে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থার চেয়ারম্যানএবং বোর্ড অব ডিরেক্টর্স এরপরিচালকবৃন্দ সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত। প্রধান নির্বাহী হিসাবে চেয়ারম্যানকে সংস্থাটি পরিচালনার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। সুষ্ঠকার্য সম্পাদন কল্পে সংস্থার পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে চেয়ারম্যান সংস্থারপরিচালক মন্ডলী, সচিব, বিভাগীয় প্রধান কারখানা প্রধানদেরকেক্ষমতা প্রদান করে থাকেন। যারভিত্তিতে সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাবৃন্দ সংস্থা শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা তদারকি করেথাকেন। কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগকৃতএকজন চেয়ারম্যান জনপরিচালক এর সমন্বয়ে গঠিতএকটি বোর্ড অব ডিরেক্টরর্স এরমাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রতিটি কারখানারজন্য রয়েছে আলাদা এন্টারপ্রাইজ বোর্ড/কোম্পানী বোর্ড। প্রতিটি এন্টারপ্রাইজ বোর্ড শিল্প মন্ত্রনালয়ের একজন প্রতিনিধি বোর্ডেরপরিচালক হিসাবে নিয়োজিত আছেন। সংশ্লিষ্ঠ কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালকগন নিজ নিজ এন্টারপ্রাইজবোর্ডের দিক নির্দেশনা ওতদারকির মাধ্যমে দৈনন্দিন কার্যাবলী পরিচালনা করে থাকেন।

উত্তরাধীকারসূত্রে প্রাপ্ত ৮৮টি প্রতিষ্ঠান নিয়েসংস্থার যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে৬টি নতুন কারখানা সংস্থাকর্তৃক স্থাপিত হয় এবং ৩টিকারখানা অন্য সংস্থা হতেবিসিআইসি নিয়ন্ত্রনাধীনে ন্যাস্তহয়। সরকার বিরাষ্ট্রীয়করন নীতিমালা বাস্তবায়নের ফলে মোট ৯৭টিশিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৫টি প্রতিষ্ঠান হতেপূজি প্রত্যাহার করা হয়। ৭টিকারখানা প্রাক্তন মালিকের নিকট এবং ৭টিপ্রতিষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টের নিকট হস্তান্তর করাহয়। ৫টি প্রতিষ্ঠান সরকারিসিদ্ধান্তক্রমে বন্ধ করে জনবলপে-অফ করা হয়েছে।বর্তমানে ১৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠানবিসিআইসি নিয়ন্ত্রনাধীনে পরিচালিতহচ্ছে এবং অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেআরো ১০টি শিল্প প্রতিষ্ঠানপরিচালিত হচ্ছে।

সার, সিমেন্ট, কাগজ, গ্লাসশীট, হার্ডবোর্ড, স্যানিটারীওয়্যার ইন্স্যুলেটর প্রভৃতিপন্য সামগ্রী বিসিআইসি উৎপাদন করে যাচ্ছে। বিসিআইসি উৎপাদিত পন্যেরমধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার।এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সারও ১০% অন্যান্য সার।উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬-৯৭সাল থেকে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সারাদেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরনেরমত স্পর্শকাতর বিষয়টি বিসিআইসি উপর ন্যাস্তহয়। বিসিআইসি অত্যন্ত আস্তা এবং সফলতার সাথেএই গুরু দয়িত্ব পালনকরে যাচ্ছে।

বিসিআইসি কার্যাবলিঃ

০১।ইএমপি, আইইই, ইআইএ ইএমএসটুল ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব নিরাপদ শিল্পোন্নয়ন;

০২।খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে সার উৎপাদন, চাহিদাঅনুযায়ী ঘাটতি পূরনের লক্ষ্যে সার আমদানি এবংসকল কৃষক পর্যায়ে সারসরবরাহ নিশ্চিতকরণ;

০৩।বাজার স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাসায়নিক পণ্য, সিমেন্ট, কাগজ, স্যানিটারিওয়্যার, ইনসুলেটর ফায়ার ব্রিক্সউৎপাদন এবং বিপণন;

০৪।যুগোপযোগী প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কারিগরি জ্ঞান ভিত্তিক দক্ষ জনশক্তি তৈরি;

০৫।নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন এবং সংস্থার বিদ্যমানপুরাতন কারখানাসমূহে আধুনিক প্রযুক্তি রুপান্তরের জন্য অর্থ-কারিগরিসম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করা। সমীক্ষা প্রতিবেদনেরসুপারিশের ভিত্তিতে নতুন আধুনিক প্রযুক্তিরপ্রকল্প গ্রহণ করে তা সরকারিঅনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াকরণের ব্যবস্থাকরা;

০৬।বাজেট প্রণয়ন বাজেট নিয়ন্ত্রণ, সম্পদের সুরক্ষা, হিসাব সংরক্ষণ এবং আমদানি কার্যক্রমপরিচালনায় যথাযথ আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ;

০৭।শিল্পনীতির উদ্দেশ্যে পূরনের লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তির নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানস্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি;

এবং

০৮।বিসিআইসি নিয়ন্ত্রণাধীন কারখানাগুলোতেস্বয়ংসম্পূর্ন পরীক্ষাগারে প্রতি শিফটে উৎপাদিত পণ্যের গুণাগুণ পরীক্ষা এবং যথোপযুক্ত ব্যাগিংও প্যাকিং এর মাধ্যমে পন্যেরমান সুরক্ষা সরবরাহের ব্যবস্থাকরা।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন